মোঃ খোরশেদ আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল(ই-জেডে) আটকাপড়া দেড়'শ পরিবারের পুনর্বাসন দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে রঘুনাথপুর দিঘুলী পশ্চিমপাড়া এলাকাবাসী। শুক্রবার দুপুরে ই-জেড সংলগ্ন এ কর্মসুচি'র আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধন কর্মসুচিত বক্তব্য দেন, রঘুনাথপুর দিঘুলী পশ্চিমপাড় এলাকার সমাজ সেবক মো: সাইদুর রহমান সাইদ,মো: তোফাজ্জল হোসেন, মো: সুলতান মিয়া, মোছাঃ শেফালী বেগম, গনমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মো: খোরশেদ আলম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী গ্রাম রঘুনাথপুর দিঘুলী' পশ্চিমপাড়া অবস্থিত। বর্তমানে এ গ্রামের প্রায় ১৫০টি পরিবারের প্রায় ৫০০ জনসাধারন চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার আড়ালে পড়ে আজ অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে শত বছরের পুরোনো এই জনপদটি।
তারা বলেন, তাদের গ্রামের চারপাশ ঘিরে অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রাচীর (বাউন্ডারী) নির্মানের চুড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।
এটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামটি বাইরের জগৎ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
এছাড়া গ্রামটির চারদিক প্রাচীরঘেরা হলে জনসাধারনদের যাতায়াত, জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়বে। গ্রামবাসীদের ভাষায়, এই প্রাচীর নির্মিত হলে তারা একটি “জীবিত কবরস্থানের” মধ্যে পতিত হবেন।শত বছরের পুরোনো পৈতৃক ভিটেমাটি হারানোর ভয় এবং অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আতঙ্ক এখানকার শিশু ও বৃদ্ধদের মানসিকভাবে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সচেতন মহলরা বলেন, ওই এলাকায় সীমানা প্রাচীর দিয়ে একটি প্রাচীন জনপদের ৫০০ মানুষকে অবরুদ্ধ করা কোনো মানবিক সমাধান হতে পারে না। দেশের উন্নয়ন ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার, দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা অত্যন্ত জরুরি।তাই এই সংকট নিরসনে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান হয়।