পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: মোঃ মশিউর ইসলাম:
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মাদ্রাসার ক্যান্টিনে বসাকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীর দাদীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সরকারি পাড়ার মানসুরিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবদুর রহমান (১০) প্রতিদিনের মতো মাদ্রাসায় গিয়ে ক্যান্টিনে বসে। সেখানে বসার জায়গা নিয়ে তার এক বন্ধুর বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আবদুর রহমানের দাদী শেফালী বেগম (৪৫)কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এতে তাঁর হাতের আঙুলে গুরুতর আঘাত লাগে বলে তিনি দাবি করেন।
শেফালী বেগমের অভিযোগ, সরকারি পাড়া গ্রামের এনতাজের ছেলে সিরাজ (৪৫) তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাঁর স্বামী মঞ্জুরুল ইসলামকে (৫৭) রাস্তাঘাটে তুলে নেওয়া, গুম ও হত্যার হুমকি দেন।
মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “১৯৮৬ সাল থেকে ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাচ্ছি। প্রায় ২০ বছর ধরে আমেরিকান ক্যাম্পে দুই ছেলে, দুই পুত্রবধূ ও দুই নাতি-নাতনিকে নিয়ে বসবাস করছি। আমার স্ত্রীকে কেন মারধর করা হলো? দুই দিন ধরে স্থানীয় সদস্য ও নেতাদের কাছে বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমরা গরিব বলে কি বিচার পাবো না?”
স্থানীয় বাসিন্দা লায়ন (২৬) ও মাসুদ (২৫) বলেন, কোনো নারীকে মারধর করা সমর্থনযোগ্য নয়। অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
মানসুরিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইলিয়াস হোসেন বলেন, ঘটনার সময় তিনি মাদ্রাসায় ছিলেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।