সোহাগ মিয়া, ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহের পতিতাপল্লীর অসহায় নারীদের ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে লাভলী আক্তার নামে এক নারীকে টার্গেট করে একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিকভাবে অসহায় ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা এসব নারীর ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট নারীরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।
এদিকে মুক্তার হোসেনকে মারধরের ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত ঘটনা কী, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাভলী আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর কোনো চেষ্টা হয়েছে কি না, এ বিষয়টিও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া কিছু তথ্য ও প্রমাণে ঘটনাটির পেছনে একটি কুচক্রী মহলের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, কারা এসব ভুয়া ফেসবুক আইডি পরিচালনা করছে, কী উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই মানহানিকর প্রচারণা চালানো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুয়া আইডি পরিচালনাকারীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।