1. : lf_B9ME3ZFMk6jU :
  2. : lf_HXNdfDqKhDl6 :
  3. lprgVloYPNJJgR@gmail.com : lprgVloYPNJJgR :
  4. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  5. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

ঘরে মায়ের সঙ্গে ঘুমাচ্ছিল শিশুটি, জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে মৃত্যু : ঘটনাস্থলে সিটি প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

মায়ের সঙ্গে ঘুমাচ্ছিল ৯ মাসের ছোট্ট শিশুটি। ঘুমের মধ্যে শিশুটি খাট থেকে নিচে পড়ে যায়। ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে সে। পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত আজলান আমিন তালুকদার ওরফে আয়াশ ময়মনসিংহ নগরের সেহরা ডিবি রোড এলাকার বাসিন্দা রেজুয়ানুল আমিন তালুকদার ও বন্যা আক্তার দম্পতির সন্তান। রেজুয়ানুল একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাঁর মা বন্যা আক্তার ওই ঘটনার সময় নগরের ব্রহ্মপল্লী এলাকায় বাবার বাসায় ছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই ঘটনা ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শিশুটিকে নিয়ে কিছুদিন ধরে ব্রহ্মপল্লী এলাকায় বাবার বাসায় ছিলেন বন্যা আক্তার। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলজট সৃষ্টি হয়। শিশুটির নানার বাসার ঘরের ভেতরেও পানি ঢুকে যায়। আজ সকালে মায়ের সঙ্গে বিছানায় ঘুমাচ্ছিল শিশুটি। কিন্তু ঘুমের মধ্যে খাট থেকে নিচে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির বাবা রেজুয়ানুল আমিন তালুকদার বলেন, ‘ঘরের ভেতর জমে থাকা পানিতে পড়ে আমার ৯ মাসের সন্তান মারা গেছে।’ নগরের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যদি ড্রেনেজ–ব্যবস্থা ভালো থাকত, তাহলে তো বাসার ভেতরে পানি যেত না। আমার সন্তানকেও মরতে হতো না। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার।’

শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সিটি প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান। তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দেন এবং মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। সিটি প্রশাসক বলেন, বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় এমন জলজট তৈরি হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা কাজ করছি। আগামী বর্ষার আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক করব। আমরা চাই, এ ধরনের মৃত্যু আর না ঘটুক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট