1. admcnjzw8@example.com : admcnjzw8 :
  2. admwww721@example.com : admwww721 :
  3. aVlDRrFrjmFXUE@gmail.com : aVlDRrFrjmFXUE :
  4. manager_8aa9496e036d9277@www.dailymymensinghkantha.com : manager_8aa9496e036d9277 :
  5. manager_92e6309ebea5ca1a@dailymymensinghkantha.com : manager_92e6309ebea5ca1a :
  6. manager_963a3e5573b948e7@dailymymensinghkantha.com : manager_963a3e5573b948e7 :
  7. manager_991b95fe91275f91@dailymymensinghkantha.com : manager_991b95fe91275f91 :
  8. manager_9e175f3fdc77a91e@dailymymensinghkantha.com : manager_9e175f3fdc77a91e :
  9. manager_adcf21b981558376@www.dailymymensinghkantha.com : manager_adcf21b981558376 :
  10. admin@wordpress.com : root :
  11. support_86d3c816f0a176dc@dailymymensinghkantha.com : support_86d3c816f0a176dc :
  12. support_8aa13916cb715922@www.dailymymensinghkantha.com : support_8aa13916cb715922 :
  13. support_a79c776822e63071@dailymymensinghkantha.com : support_a79c776822e63071 :
  14. support_ae139538a9be49f7@www.dailymymensinghkantha.com : support_ae139538a9be49f7 :
  15. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

কেন্দুয়ায় তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপের মিথ্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের গগডি গ্রামে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা ও কারাভোগের ঘটনায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। আসামিদের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো মামলা করা হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে বাদীপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে বাদী সুজন মিয়ার ছোট ভাই রাব্বির হাতে তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় সুজন মিয়া হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। পরে ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়।

তবে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে ভিন্ন একটি তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, রাব্বি রামপুর বাজারে অবস্থিত ‘ধানসিঁড়ি’ খাবার হোটেল পরিচালনা করেন। সেখানে কাজ করার সময় তার হাতে ফ্লাক্সের গরম পানি পড়ে হাত পুড়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। পরে তিনি রামপুর বাজারের ‘মায়ের দোয়া ফার্মেসি’তে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

ফার্মেসির চিকিৎসক সাইদুল ইসলামের কাছে রাব্বি চিকিৎসা নেওয়ার সময় ফ্লাক্সের গরম পানি পড়ে তার হাত পুড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি বাড়িতে চলে যান। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, ওই সময় ঘটনাটিকে তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপের ঘটনা হিসেবে তারা জানতেন না।

পরে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের ভর্তির রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ২৫৭৭৫৮১ রেকর্ড অনুযায়ী জানা যায় গরম পানি দিয়ে তার হাত পুড়ে যায়।

মামলার অন্যতম আসামি হাবিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি বা তার পরিবারের কেউ কিছুই জানতেন না। তাকে থানায় ডেকে নেওয়ার পর আটক দেখিয়ে মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং প্রায় ২১ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

হাবিবুর রহমান বলেন, আমি এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে আটক দেখিয়ে এই মামলায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মিথ্যা মামলার কারণে আমি ও আমার পরিবার চরম হয়রানির শিকার হয়েছি। আমি এ মামলা থেকে মুক্তি চাই এবং হয়রানি বন্ধের দাবি জানাই।

এলাকাবাসীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গগডি গ্রামে তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপের মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে, এমন খবর তারা শুনেননি। তাদের কেউ কেউ ঘটনাটি সাজানো হতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে এসব বক্তব্য স্থানীয়দের দাবি; ঘটনার প্রকৃত সত্য তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আসামিপক্ষের দাবি, জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও প্রতিপক্ষের বিরোধের কারণে তাদের মামলায় জড়ানো হয়েছে।

সান্দিকোনা ইউনিয়নের গগডি গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নয়ন মিয়া বলেন, তিনি ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের কোনো তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপের ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন। এমন কোনো ঘটনা এলাকায় ঘটেছে বলে তার কাছে কেউ জানায়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাকে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি।

এ ঘটনায় মামলার তদন্তকরী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল জলিল এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। তবে পরে দেখা করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে মামলার বাদী সুজন মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। তবে পরে দেখা করার কথা জানিয়েছেন।

আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা মামলা থেকে অব্যাহতি এবং হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য ও আসামিপক্ষের অভিযোগের পাশাপাশি মামলায় কী ঘটেছিল, রাব্বির হাতে কীভাবে আঘাতের সৃষ্টি হয়েছিল এবং সেটি তরল জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপ নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও আসামিপক্ষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট