1. admcnjzw8@example.com : admcnjzw8 :
  2. admwww721@example.com : admwww721 :
  3. aVlDRrFrjmFXUE@gmail.com : aVlDRrFrjmFXUE :
  4. manager_8aa9496e036d9277@www.dailymymensinghkantha.com : manager_8aa9496e036d9277 :
  5. manager_92e6309ebea5ca1a@dailymymensinghkantha.com : manager_92e6309ebea5ca1a :
  6. manager_963a3e5573b948e7@dailymymensinghkantha.com : manager_963a3e5573b948e7 :
  7. manager_991b95fe91275f91@dailymymensinghkantha.com : manager_991b95fe91275f91 :
  8. manager_9e175f3fdc77a91e@dailymymensinghkantha.com : manager_9e175f3fdc77a91e :
  9. manager_adcf21b981558376@www.dailymymensinghkantha.com : manager_adcf21b981558376 :
  10. admin@wordpress.com : root :
  11. support_86d3c816f0a176dc@dailymymensinghkantha.com : support_86d3c816f0a176dc :
  12. support_8aa13916cb715922@www.dailymymensinghkantha.com : support_8aa13916cb715922 :
  13. support_a79c776822e63071@dailymymensinghkantha.com : support_a79c776822e63071 :
  14. support_ae139538a9be49f7@www.dailymymensinghkantha.com : support_ae139538a9be49f7 :
  15. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

কালবেলার বরগুনা প্রতিনিধির হাতে হাতকড়া কেন : জবাব চায় সাংবাদিক সমাজ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

মামলার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া সাংবাদিক গ্রেপ্তারের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন, পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা দাবি

বরগুনায় দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি সাংবাদিক আসাদ সবুজকে গভীর রাতে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর দুই হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকের গ্রেপ্তার ও হাতকড়া ব্যবহারের আইনগত যৌক্তিকতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিএমএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত, গ্রেপ্তার ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা নেই। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না এবং গ্রেপ্তারের পর তার সঙ্গে মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

সংগঠনটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বলেন, সাংবাদিক আসাদ সবুজকে গ্রেপ্তারের পর ডোপ টেস্ট করানো হয়েছে। তবে পরীক্ষায় মাদকাসক্তির কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার, এরপর ডোপ টেস্ট এবং পেছনে হাতকড়া ব্যবহারের ঘটনায় দেশের সাংবাদিক সমাজ উদ্বিগ্ন।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে আইনগত প্রয়োজনীয়তা, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণ বিবেচনা করা প্রয়োজন। কথিত একটি চাঁদাবাজি মামলায় সামাজিকভাবে হেয় করা বা জনসমক্ষে অপমানিত করার উদ্দেশ্যে হাতকড়া ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ওই মামলায় আরও ১০ থেকে ১২ জন বিভিন্ন পেশার মানুষকে আসামি করা হয়েছে এবং তাদের অধিকাংশই জামিনে রয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিএমএসএফের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সাংবাদিক আসাদ সবুজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগ ও তদন্তের বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণের আগে শুধু কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিককে সামাজিকভাবে হেয় করা বা পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার মতো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়।

সাংবাদিক সংগঠনটির মতে, বাংলাদেশের পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল (PRB)-এর ৩৩০ প্রবিধানে হাতকড়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও সংযমের নির্দেশনা রয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন নির্দেশনাতেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাতকড়া ব্যবহারের বিষয়ে সতর্কতা রয়েছে। ফলে একজন সাংবাদিককে হাতকড়া পরানোর আগে এর আইনগত ও বাস্তব প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। অভিযোগের তদন্ত হবে, প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার ও বিচারিক কার্যক্রমও হবে। কিন্তু শুধু সাদা কাগজে কেউ অভিযোগ করলেই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরিয়ে হয়রানি বা অপমান করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক আসাদ সবুজের ক্ষেত্রে কেন দুই হাতে হাতকড়া পরানো হলো, এর আইনগত প্রয়োজনীয়তা কী ছিল এবং কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। সাংবাদিকের মর্যাদা রক্ষা এবং আইনসম্মত ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব।

গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, একজন সাংবাদিকের হাতে হাতকড়া পরানোর আগে পুলিশকে অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন কি না, তিনি পুলিশের নিরাপত্তার জন্য কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি করছেন কি না কিংবা হাতকড়া ব্যবহারের বাস্তব কোনো প্রয়োজন রয়েছে কি না। অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাতকড়া ব্যবহার করে কোনো নাগরিক, বিশেষ করে একজন সাংবাদিককে জনসমক্ষে অপমানিত করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধের তথ্য তুলে ধরেন। তাই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে সেটি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের আগেই তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা বা তার পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিরত থাকতে হবে।

বিএমএসএফের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের কাছে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক আসাদ সবুজের ক্ষেত্রে হাতকড়া ব্যবহারের আইনগত যৌক্তিকতা যাচাই, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্ত এবং কোনো ধরনের অমানবিক বা অপমানজনক আচরণ হয়ে থাকলে তার প্রতিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকের পেশাগত স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত মর্যাদা ও মানবাধিকার সুরক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইন প্রয়োগের নামে সাংবাদিকসহ কোনো নাগরিকের মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা উচিত নয়। একই সঙ্গে কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটিও প্রচলিত আইনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আসাদ সবুজের গ্রেপ্তার ও হাতকড়া ব্যবহারের ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে প্রকৃত পরিস্থিতি জনসমক্ষে তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন সাংবাদিকের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষিত হবে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনানুগ দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও স্পষ্ট হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট