বওলা ইউনিয়নে ৯০০ মিটার সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা, চরম ভোগান্তিতে স্থানীয়রা
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
-
১৫৬
বার পড়া হয়েছে

এস. এম. কে. মিজান,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বওলা ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ। বওলা স্কুলদর থেকে কোকাইলমুখী প্রায় ৯০০ মিটার এই ব্যস্ততম সড়কটি স্থানীয়দের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখনো পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে। জানা যায়, আওয়ামী লীগের আমলে সড়কটির টেন্ডার গ্রহণ করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব আলম ডালিম। জনগণের প্রত্যাশা ছিল, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির কাজ সম্পন্ন করে দুর্ভোগ লাঘব করবেন। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও সড়কের কাজ শেষ না হওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। পাশাপাশি শত শত যানবাহন, যেমন অটোরিকশা, পিকআপ, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন পরিবহন চলাচল করে। বিশেষ করে ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে একই সময়ে শুরু হওয়া খাল-মাঘড়া ও চন্দ্রপুর এলাকার ৫০০ মিটার করে একাধিক সড়কের কাজ অন্যান্য ঠিকাদাররা ৫ আগস্টের আগেই সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া পরবর্তীতে ইউনুস সরকারের আমলে সুতারপাড়াসহ আরও কিছু সড়কের কাজও শেষ হয়েছে।তবে বওলা ইউনিয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। সম্প্রতি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সড়কের দুটি কালভার্ট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হলেও মূল সড়কের শেষ ধাপ কার্পেটিং কাজ এখনো শুরু হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতা ও বৈষম্যের কারণে প্রকল্পটি আটকে থাকলেও এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান জবাবদিহিতা নেই। সংশ্লিষ্টদের নীরব ভূমিকা জনমনে হতাশা তৈরি করেছে। এছাড়া এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নীরব ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির কাজ সম্পন্নসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান। এ ব্যাপারে ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন