
গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার গালাগাঁও ইউনিয়নের “মানিকদির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে” সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সম্পূর্ণ স্বজনপ্রীতিতে গোপনে একটি ‘পকেট কমিটি’ গঠনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ ছাত্র-অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অবৈধ এই কমিটি বাতিল ও পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন (ভুক্তভোগী/সচেতন) অভিভাবকরা।
অভিভাবকদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে , গত ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিপুল চন্দ্র দাস, সহকারী শিক্ষিকা আরজুদা আক্তার এবং সহকারী শিক্ষিকা খাদিজা খাতুন মিলে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ও গোপন পন্থায় এই পকেট কমিটি গঠন করেন।
অভিযোগে মূল অনিয়ম হিসেবে রয়েছে, তথ্য গোপন ও নোটিশ না দেওয়া: কমিটি গঠনের বিষয়ে সাধারণ ছাত্র-অভিভাবকদের কোনো প্রকার নোটিশ, চিঠি বা প্রচারণার মাধ্যমে আগে থেকে অবহিত করা হয়নি।
গোপন বৈঠক: সচেতন ও শিক্ষিত অভিভাবকদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে, শিক্ষকদের নিজেদের পছন্দের গুটি কয়েকজন মানুষকে নিয়ে গোপনে এই পকেট কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
স্বার্থের সংঘাত ও যোগসাজশ: অভিযোগ উঠেছে, সহকারী শিক্ষিকা খাদিজা খাতুনের স্বামী ও বিদ্যালয়ের জমিদাতা সদস্য রুস্তম আলী,(সংলগ্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) কে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সভাপতি বানানোর উদ্দেশ্যেই শিক্ষকরা যৌথভাবে এই যোগসাজশ করেছেন, যা নীতিবহির্ভূত।
যোগ্যদের বঞ্চনা: এলাকার সচেতন ও যোগ্য অভিভাবকদের এই প্রক্রিয়া থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে দূরে রাখা হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের সুশাসনের পরিপন্থী।
আবেদনকারী ও ছাত্র-অভিভাবক “কামরুল হাসান / দেলোয়া হোসেন” সহ
সাধারণ অভিভাবকদের মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এবং সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে এই অবৈধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এমন পকেট কমিটি আমরা যা প্রত্যাক্ষ্যান করেছে সাধারণ ছাত্র ছাত্রী অভিভাবক গণ। তারা সরজমিনে তদন্ত করে এই কমিটি বাতিল সহ সকলের উপস্থিতিতে স্বচ্ছ উপায়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
এলাকাবাসী ও সাধারণ অভিভাবকবৃন্দ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় উক্ত কমিটি বাতিল করে সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের নিমিত্তে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।