
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে ইউনিয়নজুরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত মুখ মোঃ রফিকুল আলম শামীমকে ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে ভাবখালী ইউনিয়নের রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, ত্যাগের মহিমা এবং সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে ইউনিয়নবাসী তাকে আগামীতে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার দাবি তুলছেন।
রফিকুল আলম শামীম ভাবখালী ইউনিয়নের রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া এক জনবান্ধব ও তরুণ রাজনীতিবিধ। সাবেক রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তায়নে দেশ নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১২নং ভাবখালী ইউনিয়নকে একটি মাদকমুক্ত আধুনিক ও সুখী সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চান রফিকুল আলম শামীম। তিনি ছোট বেলা থেকেই শহরে মানুষ হলেও তার নিজের চিন্তা-চেতনা সবসময় ছিলো ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে। কোতোয়ালি ও জেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক ভাবে দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন। রাজনীতিতে কোতোয়ালী বিএনপির সদস্য পদে দায়িত্ব পালনসহ ধাপে ধাপে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। জেলা কমিটিতে থাকাকালে রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন-সগ্রামে সাহসী ভূমিকা পালন করায় তাকে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ব্যাপক ভূমিকা রেখে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নির্যাতনের শিকার হন। তবুও পিছ পা না হয়ে দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অবিচল থেকে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, পদের চেয়ে আদর্শই তার কাছে বড়। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও একজন সফল ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার হিসেবে তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। ছাত্র জীবনে একজন তুখোড় ছাত্রনেতা ছিলেন রফিকুল আলম শামীম। ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে বিভিন্ন স্কুল কলেজের সাহসী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ করে ময়মনসিংহে ছাত্র রাজনীতিকে মাঠপর্যায়ে শক্তিশালী করেছেন রফিকুল আলম শামীম।
ভাবখালী ইউনিয়নের ভাবখালী এলাকার বাসিন্দা রফিকুল আলম শামীমকে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে তাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায় বলে আগামী নির্বাচনে মানুষ শামীমের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন। এছাড়া অসংখ্য সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে তিনি মানবিক সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখায় আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার প্রার্থীতায় আলোচনার ঝড়। সবচেয়ে আলোচনার বিষয় হলো ইউনিয়ন পরিষদের নাম ভাবখালী নামে হলেও গ্রহণ যোগ্যতা আর আর্থিক জটিলতার কারণে এই ভাবখালীর কেউ চেয়ারম্যান হতে পারেনা, ইউনিয়নের চুড়খাই এলাকা থেকেই বেশীরভাগ চেয়ারম্যান নির্বচিত হন। ভাবখালী থেকে কেহ চেয়ারম্যান হতে না পারলেও এবার শামীমের মাধ্যমে ভাবখালীবাসীর আশার প্রতিফলন ঘটবে এমনটাই আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে।
ভাবখালী ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় রাজনীতির ইতিহাসে রফিকুল আলম শামীমের অবদান অনস্বীকার্য। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ সময় ভাবখালী ইউনিয়নে বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বে থেকে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নিয়ে। বর্তমানে তিনি মহানগর বিএনপির সদস্য হিসাবে দায়িত্বে থেকে দলীয় কর্মকান্ডকে ত্বরান্বিত করছেন।
বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার দলীয় কার্যক্রমকে আতঙ্কিত হয়ে তাকে চরম দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মুখেও তিনি আপসহীন থেকেছেন। এমনকি দলের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিপূর্বেও দলীয় সিদ্ধান্তে অবিচল থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে আনুগত্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ভাবখালী ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে শামীমের মতো অভিজ্ঞ ও সৎ নেতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা-সবখানেই এখন একই দাবি, ‘তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতাকেই ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চায়।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, “তিনি কেবল একজন নেতাই নন, তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে ভাবখালী ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও মানবিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।
সুত্র জানিয়েছে-রফিকুল আলম শামীম দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। ইউনিয়নের একজন বাসিন্দা হওয়ায় সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বন্যা-খরায় ইউনিয়নবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। যার ফলে এলাকার সাধারণ লোকজনও আগামীতে তাকে একজন প্রতিনিধি হিসেবে চাচ্ছেন। মানুষের এই চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তিনিও একজন সেবক হিসেবে জনগণের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে স্থানীয়দের কাছে সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব একজন যুবক হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে মোঃ রফিকুল আলম শামীম বলেন, এলাকার গন্যমান্য ও প্রবীণ মুরব্বি এবং সাধারণ লোকজন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহ্বান করেছেন। মানুষের আগ্রহের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনিও সম্মত হয়েছেন। মানুষের সমর্থন এবং মহান রবের হুকুমে তিনি নির্বাচিত হতে পারলে, সরকারের বরাদ্দকৃত সকল সুযোগ-সুবিধা সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়াও সবাইকে সাথে নিয়ে অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা এই ভাবখালীবাসীর কল্যাণে কাজ করবেন তিনি। জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে প্রতিনিধি নয়, একজন দায়িত্বশীল সেবক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান শামীম।
এদিকে তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী হিসেবে রফিকুল আলম শামীম নির্বাচিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।