1. admcnjzw8@example.com : admcnjzw8 :
  2. admwww721@example.com : admwww721 :
  3. aVlDRrFrjmFXUE@gmail.com : aVlDRrFrjmFXUE :
  4. manager_8aa9496e036d9277@www.dailymymensinghkantha.com : manager_8aa9496e036d9277 :
  5. manager_92e6309ebea5ca1a@dailymymensinghkantha.com : manager_92e6309ebea5ca1a :
  6. manager_963a3e5573b948e7@dailymymensinghkantha.com : manager_963a3e5573b948e7 :
  7. manager_991b95fe91275f91@dailymymensinghkantha.com : manager_991b95fe91275f91 :
  8. manager_9e175f3fdc77a91e@dailymymensinghkantha.com : manager_9e175f3fdc77a91e :
  9. manager_adcf21b981558376@www.dailymymensinghkantha.com : manager_adcf21b981558376 :
  10. admin@wordpress.com : root :
  11. support_86d3c816f0a176dc@dailymymensinghkantha.com : support_86d3c816f0a176dc :
  12. support_8aa13916cb715922@www.dailymymensinghkantha.com : support_8aa13916cb715922 :
  13. support_a79c776822e63071@dailymymensinghkantha.com : support_a79c776822e63071 :
  14. support_ae139538a9be49f7@www.dailymymensinghkantha.com : support_ae139538a9be49f7 :
  15. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
  16. yhmcc@www.dailymymensinghkantha.com : SuperAdmin :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন

নায়েব থেকে কোটিপতি! ময়মনসিংহে জীবন কুমার বিশ্বাসের সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) জীবন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম-দুর্নীতি করে বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ভালুকা উপজেলায় চাকরি করার সময় ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কোনো তদন্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে একজন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বেতনে কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবন কুমার বিশ্বাসের পারিবারিক অবস্থা একসময় খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না। কিন্তু ভূমি অফিসে চাকরিতে যোগদানের পরই ধীরে ধীরে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংলগ্ন কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমি, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার নামে-বেনামে ব্যাংকে মোটা অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, ময়মনসিংহ নগরীর জিলা স্কুলের পাশে নজরুল সেনা স্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ি, নতুন বাজার সাহেব আলী রোড-বাউন্ডারি রোড এলাকায় ভবন, ধোপাখোলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রিম টাওয়ার’ নামে একটি ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে সেগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জীবন কুমার বিশ্বাস ১৯৯৬ সালে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পরে ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলখ্যাত ভালুকা উপজেলার সদরসহ হবিরবাড়ী ও মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে প্রায় ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় ভূমি অফিসকে ঘুষ ও অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি, খাজনা পরিশোধ, ডিসিআর বা বিভিন্ন ভূমি সংক্রান্ত কাজে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করলেও প্রতিবেদন পেতে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হতো। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও জানা গেছে, নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর ডিসিআর পেতে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হতো। হোল্ডিং নম্বর বা অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজে গেলেও একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়তে হতো সেবাগ্রহীতাদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা পেলেই অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতেন তিনি।

ভালুকা উপজেলার কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, হবিরবাড়ী ইউনিয়নে বিভিন্ন শিল্পকারখানার জমি সংক্রান্ত কাগজপত্রে গড়মিল দেখিয়ে কম দামে জমি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নিতেন তিনি। এভাবে অনেক জমির মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও সরকারি পুকুর ও খাসজমি লিজ দেওয়া, জমির খাজনা খারিজসহ বিভিন্ন কাজে বাধ্যতামূলক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারি জমি দখল ও পজিশন বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, তারা এখন কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক। একজন নায়েবের বেতনে এত সম্পদ অর্জন সম্ভব কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে জীবন কুমার বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনেকেই মনে করছেন, দুদকের তদন্ত হলে সম্পদের প্রকৃত উৎস বেরিয়ে আসতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট