1. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  2. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Pinco azerbaycan apk onlayn kazino oynamaq üçün ən yaxşı platforma Mostbet 91 saytı onlayn kazino oynamaq – Ən yaxşı oyunlar və bonuslar বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ চেষ্টা” সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরকন্যা জামিনা বেগম কে বসত বাড়ি প্রদান ময়মনসিংহে অর্থনৈতিক শুমারী উপলক্ষে ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন প্রতিবন্ধী যুবকের ঘরে মানবিক ডিসি সাইফুর রহমান, দিলেন হুইলচেয়ার ও নগদ সহায়তা Mostbet Canlı Onlayn Kazino Oynamaq — Başlamaq Üçün Tam Bələdçi

ময়মনসিংহে রানা হত্যাকাণ্ডের জেরে বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, ক্ষতি প্রায় কোটি কোটি টাকা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহ নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ফুটবল খেলা ও আগত কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কৃষক দলের স্থানীয় নেতা রানা নিহত হওয়ার ঘটনার পর সন্দেহভাজন আসামিদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এ ঘটনায় অন্তত ১৪টি পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি কোটি টাকা।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২ জুন বিকেলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর নিহত রানার সমর্থক পরিচয়ে একদল লোক নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

এ সময় মফিদুল ইসলাম মাস্টারের বাড়িসহ আশপাশের একাধিক বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে,
মফিদুল ইসলাম মাস্টারের গোয়াল ঘর থেকে ১০টি গুরু, ট্রাক্টরের মেশিন, ধান মারাইয়ের মেশিন, মটর, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। পরে ঘরের জিনিসপত্র সহ প্রায় কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করে।

এ ছাড়াও আশপাশের লোকজনের বাড়িঘর থেকে হামলাকারীরা ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, ধান-চাল, কৃষি যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোফাজ্জল হোসেন, মাহবুল, আসাদ আলী ও রুবেলের নেতৃত্বে শতাধিক ব্যক্তি এ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে অংশ নেয়। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত নাসিমা আক্তার বলেন, হামলাকারীরা আমার ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আলমারি ও আসবাবপত্র নষ্ট করার পাশাপাশি ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারও নিয়ে গেছে। এখন আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

আরেক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহেলের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ঈদের পর ব্যবসার কাজে ব্যবহার করার জন্য আমার স্বামী পাঁচ লাখ টাকা ঘরে রেখেছিলেন। হামলাকারীরা আলমারি ভেঙে সেই টাকা নিয়ে গেছে। আমাদের সংসার এখন বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, তার ছোট একটি হাঁসের খামার ছিল। হামলাকারীরা খামার থেকে ৫০টিরও বেশি হাঁস নিয়ে গেছে। এতে তার জীবিকার প্রধান অবলম্বন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, হামলার সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাসা কিংবা অন্যত্র আশ্রয় নেয়। হামলার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি প্রতিশোধমূলকভাবে নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, সন্দেহভাজন আসামি পক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বিষয়ে আমরা মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে নিহত রানার বড় ভাই মোফাজ্জল হোসেন বলেন, কে বা কারা হামলা, ভাঙচুর কিংবা লুটপাট করেছে, তা আমার জানা নেই। এসব ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

উল্লেখ্য, গত ২ জুন ময়মনসিংহ নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে কৃষক দলের স্থানীয় নেতা রানা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যদিও এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি, তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট