1. : lf_B9ME3ZFMk6jU :
  2. : lf_HXNdfDqKhDl6 :
  3. lprgVloYPNJJgR@gmail.com : lprgVloYPNJJgR :
  4. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  5. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন

নান্দাইলে বসতঘর নির্মাণে প্রতিবেশীর বাধা, ছাদ ঢালাই কাজ বন্ধে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

আকরাম হোসেন নান্দাইল উপজেলা প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরকোমরভাঙ্গা গ্রামে পৈত্রিক জমিতে ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে প্রতিবেশীর বাধার মুখে পড়েছেন মো. শহীদ শিকদার নামে এক ব্যক্তি। এতে নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হওয়ায় প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।জানা গেছে, ভুক্তভোগী শহীদ শিকদার চরকোমরভাঙ্গা গ্রামে মৃত আঃ গণি শিকদারের পুত্র। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে চরকোমরভাঙ্গা মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত নিজ বাড়ির ৪৮ শতাংশ জমিতে একটি একতলা পাকা ভবন নির্মাণ কাজ করছেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কাজ শুরুর দীর্ঘ সময় পর ছাদ ঢালাইয়ের সময় প্রতিবেশী মৃত উসমান গণি শিকদারের পুত্র আমিরুল শিকদার, হাসিম উদ্দিন শিকদার ও আরিফ শিকদার গং ওই কাজে বাধা প্রদান করছেন। শুধু তাই নয়, ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে তারা শহীদ শিকদার ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা ভবনের ছাদের সেন্টারিং করা অবস্থায় রডগুলোতে মরিচা ধরে নষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় পড়ে থাকায় অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রীও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।ভুক্তভোগী শহীদ শিকদার বলেন, “আমরা নিজেদের জায়গায় ঘর নির্মাণ করছি। আমিরুল শিকদার গং দীর্ঘ সময় কোনো কথা না বললেও এখন ছাদ ঢালাইয়ের সময় অনৈতিক সুবিধা নিতে বাধা দিচ্ছে। আমি দরবারীদের বলেছি, কাগজপত্রে তারা যদি এক ইঞ্চি জায়গাও পায়, আমি ছেড়ে দিবো। কিন্তু তারা কোনো দলিল বা প্রমাণ না দেখিয়ে কেবল গায়ের জোরে আমাদের কাজ বন্ধ করে ১০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি করছে।”
শহীদ শিকদারের স্ত্রী নার্গিস বেগম ও পুত্র পিয়াস শিকদার অভিযোগ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমিরুল ও তার ভাইয়েরা প্রতিনিয়ত তাদের অত্যাচার করছেন। এমনকি প্রতিবাদ করলে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রাজমিস্ত্রিকে তার সেন্টারিংয়ের মালামাল পর্যন্ত নিয়ে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভবন নির্মাণের রাজমিস্ত্রি মোশারফ মিয়া জানান, “ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ থাকায় রডগুলোতে মরিচা ধরছে। দীর্ঘদিন সেন্টারিংয়ের কাঠ ও ভাড়া করা সরঞ্জামাদি আটকে থাকায় মালিকের প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হচ্ছে।”অভিযোগের বিষয়ে আমিরুল ও হাসিম উদ্দিন শিকদার কাজে বাধা দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “শহীদ শিকদার ঘর তৈরির সময় আমাদের ৬ ইঞ্চি জায়গা দখল করেছে। এছাড়া আমরা আরও জায়গা পাওনা আছি। তাই কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি।” রাজমিস্ত্রির জিনিসপত্র কেন নিতে দিচ্ছেন না এমন প্রশ্নে তারা জানান, “দরবারিরা (সালিশকারী) নিষেধ করেছেন বলেই আমরা সরঞ্জাম নিতে দিচ্ছি না।”
চরবেতাগৈর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন জানান, “এ বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। আমরা মেপে দেখেছি ভবনের ওয়ালের কিছু অংশ আমিরুল শিকদারদের জায়গায় পড়েছে। আমরা বারবার মিমাংসার চেষ্টা করেছি, কিন্তু উভয় পক্ষ একমত না হওয়ায় বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব হয়নি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট