1. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  2. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Pinco azerbaycan apk onlayn kazino oynamaq üçün ən yaxşı platforma Mostbet 91 saytı onlayn kazino oynamaq – Ən yaxşı oyunlar və bonuslar বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ চেষ্টা” সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরকন্যা জামিনা বেগম কে বসত বাড়ি প্রদান ময়মনসিংহে অর্থনৈতিক শুমারী উপলক্ষে ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন প্রতিবন্ধী যুবকের ঘরে মানবিক ডিসি সাইফুর রহমান, দিলেন হুইলচেয়ার ও নগদ সহায়তা Mostbet Canlı Onlayn Kazino Oynamaq — Başlamaq Üçün Tam Bələdçi

ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হলে বিপদে পড়তে পারে যেসব দেশ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে
আসছে নভেম্বরে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে কে জয়ী হবেন এবং কেমন হবে তাঁর প্রশাসনের নীতি, তা নিয়ে কৌতূহল বলতে গেলে পুরো আন্তর্জাতিক মহলে। কারণ দেশটির পররাষ্ট্র, সামরিক ও বাণিজ্যনীতি সারা বিশ্বে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদারদের ওপর এসব নীতির প্রভাব স্পষ্ট। এই কারণে নতুন প্রেসিডেন্টের পরিবর্তিত নীতি দেশটির মিত্র ও অংশীদারদের নানাভাবে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
জো বাইডেন ডেমোক্রেটিক পার্টির ও ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচন যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যে‑ই জিতুক অল্প ব্যবধানে জিতবে, এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
পরিবর্তিত নীতির কারণে বিভিন্ন দেশ ঝুঁকিতে পড়তে পারেপরিবর্তিত নীতির কারণে বিভিন্ন দেশ ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ছবি: ইআইইউএমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে বিশ্বে কী কী প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন করেছে ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। এই প্রতিবেদনের নাম দেওয়া হয়েছে, ট্রাম্প রিস্ক ইনডেক্স বা টিআরআই। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ৭০টি বাণিজ্য অংশীদারদের নানাভাবে ঝুঁকিতে পড়ার বা বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে বাণিজ্য, অভিবাসন, নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তার মতো বিষয়গুলো হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ খাত : এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন নীতি ও খাত বিষয়ে প্রশাসনিক অবস্থানকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছে তিনটি বিষয়কে–
উচ্চ শুল্ক ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা: ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে যেসব খাতে বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হবে, সেগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক খাত অন্যতম। এরই মধ্যে ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামের মতো পণ্যের আমদানিতে তিনি উচ্চ শুল্ক আরোপ করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই উচ্চ শুল্ক ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞায় ট্রাম্পের রিস্ক ইনডেক্স বা টিআরআই ৪০ শতাংশ।
নিরাপত্তা: ট্রাম্প মার্কিন সামরিক সহায়তার জন্য কঠিন সব শর্ত দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে মিত্রদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নতুন রূপ পেতে পারে। ন্যাটোসহ বিভিন্ন জোটে তিনি মিত্রদের কাছ থেকে বেশি হারে আর্থিক ও বস্তুগত (সামরিক সরঞ্জাম, সেনা ইত্যাদি) সহায়তা চাইতে পারেন। এই খাতেও টিআরআই ৪০ শতাংশ।
সীমান্ত নিরাপত্তা: ট্রাম্প সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ ও অন্যভাবে অভিবাসীদের ঠেকাতে তহবিলে বড় বরাদ্দ দেবে বলে আভাস মিলেছে। এমনকি অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ওপর মনোযোগ দিতে পারেন ট্রাম্প। এসব নীতি বৈধ অভিবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের আগমনের পথ আরও কঠিন করবে। এসব খাতে টিআরআই ২০ শতাংশ।
বেশি ঝুঁকির দেশ
মেক্সিকো: ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির কারণে যেসব দেশ বেশি ঝুঁকিতে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে মেক্সিকো সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের বাণিজ্যিক ও অভিবাসন-সংক্রান্ত সম্পর্ক রয়েছে। মেক্সিকোর বিষয়ে টিআরআই ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ, যা দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ।
কোস্টারিকা: বেশি ঝুঁকিতে পড়ার শঙ্কায় দ্বিতীয় অবস্থানে মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। কোস্টারিকার বিষয়ে টিআরআই ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকায় লাতিন আমেরিকার কিছু দেশও নানাভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
জার্মানি ও জাপান: টিআরআইয়ে জার্মানির অবস্থান তৃতীয়। জাপানের অবস্থান সপ্তম। এর মধ্যে জার্মানি ন্যাটো সদস্য। জাপান ন্যাটো সদস্য না হলেও দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নিরাপত্তা চুক্তি আছে। দুই মহাদেশের এই দুই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পাশাপাশি সামরিক চুক্তি আছে। একদিকে দেশ দুটি নিজেদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় অংশে নির্ভরশীল। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা খাতে নিজেদের জিডিপি তুলনামূলক কম ব্যয় করে।
কম ঝুঁকির দেশ
অস্ট্রেলিয়া: ট্রাম্প ফের হোয়াইট হাউসে এলে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব মিত্র বা অংশীদার কম ঝুঁকিতে পড়বে সেগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কারণ প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কে এক ধরনের দূরত্ব আছে। তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেরে সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা সম্পর্কও ভারসাম্যপূর্ণ।
সৌদি আরব: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পুরাতন ও বড় মিত্রদের অন্যতম সৌদি আরব। তবে গত কয়েক বছরে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা খাতে কমেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর এটি আরও স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের প্রথম আমলে দেশটির সঙ্গে সৌদির সম্পর্ক ভালো থাকলেও বাইডেনের আমলে তা খারাপ ছিল বলা যায়। একদিকে সৌদি আরব সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে এবং বহুমুখী করেছে। অন্যদিকে সৌদির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি নির্ভরতা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন নিজেই বিশ্বের অন্যতম জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ। এসব কিছুর কারণে মাত্র ৯ দশমিক ৪ টিআরআই নিয়ে কম ঝুঁকিতে থাকা দেশের মধ্যে সৌদির অবস্থান ৭০তম। অর্থাৎ ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় মিত্র হওয়া সত্ত্বেও দেশটির এতটা ঝুঁকিতে পড়ার শঙ্কা নেই। ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও অংশীদারেরা নিরাপত্তার দিক থেকে কীভাবে কতটা ঝুঁকিতে পড়তে পারে, সে আলোচনা তো হলো। এবার বাণিজ্য খাতের দিকে নজর দেওয়া যাক।

মেক্সিকো ও কানাডা:

চীন: বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার চীন। চীনের সঙ্গে শুল্ক ও বাণিজ্য যুদ্ধ ট্রাম্পই শুরু করছিলেন। তিনি ইতিমধ্যে চীনা পণ্যে বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় আমলে চীনের সঙ্গে নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
জার্মানি ও ভারত: ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ক্ষমতায় এলে তিনি বিভিন্ন দেশের সবচেয়ে সুবিধাজনক বাণিজ্য তকমা বা মোস্ট-ফেভারড-নেশন ট্রেডিং স্ট্যাটাস বাতিল করবেন। চালু করবেন স্থায়ী স্বাভাবিক বাণিজ্য সম্পর্ক। এতে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি ও আয়ারল্যান্ড এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও ভিয়েতনাম বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর বাণিজ্য নীতির কারণে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড কম ঝুঁকিতে পড়বে। কারণ এসব দেশ বাণিজ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন ও এশিয়ার অন্য দেশের ওপর বেশি নির্ভরশীল।
ডোনাল্ড ট্রাম্পডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্সবিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসলে দেশ হিসেবে এককভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ইউক্রেন। কারণ তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় নিয়ে তিনি বেশ অসন্তুষ্ট। ট্রাম্প বারবার ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তার সমালোচনা করেছেন।
‘প্রজেক্ট ২০২৫’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের সম্ভাব্য ক্ষমতাকাল কেমন হতে পারে, ইতিমধ্যে তার একটি খসড়া তৈরি করেছেন রিপাবলিকান থিঙ্ক ট্যাংক হেরিটেজ ফাউন্ডেশন। এ খসড়া নীতি পরিকল্পনাকে বলা হচ্ছে ‘প্রজেক্ট ২০২৫’।
ট্রাম্প প্রশাসনে ডানপন্থীদের আধিপত্য সৃষ্টি, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সম্প্রসারণ, পারমাণবিক অস্ত্র ভান্ডার বৃদ্ধি, চীনের বেশ্বিক উত্থান রুখে দেওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার তহবিলে অর্থ জোগান বন্ধ করা এবং অভ্যন্তরীণ সমস্যায় মনোযোগ দেওয়াসহ পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের রূপরেখা উল্লেখ করে ‘প্রজেক্ট ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প অস্বীকার করলেও তাঁর প্রচারশিবিরের উপদেষ্টারা ‘প্রজেক্ট ২০২৫’ প্রণয়নকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন বলে জানা গেছে। জুড লেগাম নামের মার্কিন এক সাংবাদিকের দাবি, প্রকল্পটি লিখতে বা সম্পাদনা করতে সহায়তা করেছেন এমন ৩৮ জনের মধ্যে ৩১ জনই ট্রাম্পের শাসনামলে প্রশাসনে কোনো না কোনো দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রজেক্টের অংশীদারদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় রক্ষণশীল সংগঠন ও গ্রুপ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট