1. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  2. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Pinco azerbaycan apk onlayn kazino oynamaq üçün ən yaxşı platforma Mostbet 91 saytı onlayn kazino oynamaq – Ən yaxşı oyunlar və bonuslar বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ চেষ্টা” সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরকন্যা জামিনা বেগম কে বসত বাড়ি প্রদান ময়মনসিংহে অর্থনৈতিক শুমারী উপলক্ষে ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন প্রতিবন্ধী যুবকের ঘরে মানবিক ডিসি সাইফুর রহমান, দিলেন হুইলচেয়ার ও নগদ সহায়তা Mostbet Canlı Onlayn Kazino Oynamaq — Başlamaq Üçün Tam Bələdçi

ফুলবাড়িয়ায় প্রতিষ্ঠানের লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ (ভারঃ) প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

মির্জা মোঃ মনজুরুল হক, ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের ১৫টি গাছ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিনা অনুমতিতে কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
শনিবার (৯ মে) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা গাছ কাটার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রতিবেদককে জানান, বিদ্যালয়ের গাছ কাটা সংক্রান্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছি, এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে।

জানাগেছে, অতিগোপনে কাঁঠাল, আম, জাম, বেল ও রেন্ট্রিসহ ফলদ গাছ গুলো বিক্রি করা হয়। যা প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষক জানেনা। গত ২৬ এপ্রিল গাছ গুলো কেটে নিয়ে যায় আবু বক্কর ও আমিনুল ইসলাম নামের দুই ব্যক্তি। ফলজ গাছ বিক্রি করায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয় অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীরা। গাছ কাটার ছবি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

১৯৬৫ সালে ২ একর ৩৫ শতাংশ জমির উপর গড়ে তোলা হয় রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ১২ জন শিক্ষক কর্মরত। ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চারশ শিক্ষার্থী রয়েছে। একাডেমিক ভবনের সামনে বিশাল একটি খেলার মাঠ রয়েছে। মাঠের পূর্ব পাশে সারিবদ্ধ ভাবে বহু পুরাতন একটি কাঁঠালগাছসহ বেশ কিছু ফলজ গাছ ছিল। এসব গাছের ছায়ার নিচে বসে শিক্ষর্থীরা বই পড়া, আড্ডা ও গল্প করতেন। মৌসুমে এসব গাছ থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে পেরে টাটকা ফল খেয়েছে। বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীর অনেকটা পুষ্টির চাহিদা মিটেছে।

সরেজমিনে দেখাগেছে, বিদ্যালয়ের মাঠের পশ্চিম পাশে সীমানায় সারিবদ্ধ ভাবে ১২ থেকে ১৫ টি কাটা গাছের গোড়ালি দেখা যায়। মাঠের একপাশে ছোট ছোট ঢালপালা একটি স্তুপ। কাটা গাছের মধ্যে আম,কাঁঠাল, বেলসহ ফলদ গাছ বেশি ছিল। একটি কাঠাল গাছের গোড়ালি দেখে বুঝাযায় গাছটি বহু পুরতন। গাছ গুলো কেটে ফেলায় বিদ্যালয়ের সবুজ পরিবেশও অনেকটা নষ্ট হয়েছে। গাছ কাটার বিষয় নিয়ে শিক্ষকদের ভয়ে শিক্ষার্থীরা কথা বলতে নারাজ। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে গিয়ে দেখা যায় আরেক চিত্র। রঘুনাথপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে আবু কাউসারকে ১ লাখ টাকা পজিশন নিয়ে একটি রুম ভাড়া দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসে এক হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া রুমটিতে দোকান দেওয়া হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডালপুড়ি, সিঙ্গারা, পিঁয়াজু বিক্রি করা হয়। খাবার ডেকে না রাখায় মাছির ব্যাপক উপদ্রব দেখা যায়।

জানাগেছে, গত প্রায় একমাস আগে বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ করা হয়। এতে করে অনন্ত ৪০ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের দখলে নেই। পূর্ব,পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশের জমি বেশি বেদখল হয়েছে। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও জমি দখল করে বাসা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠছে। জমি উদ্ধার না করে রহস্যজনক কারনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হোসেন সরকারী প্রকল্পের প্রায় ১৯ লাখ টাকা দিয়ে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারী) ও একটি গেইট করার জন্য তড়িগড়ি করছেন। ইট বালু নিয়ে মাঠের এক পাশে রাখা হয়েছে। যেখান দিয়ে বাউন্ডারি করতে চাচ্ছে সেখানে বিদ্যালয়ের জমির কাগজপত্রে একটু জটিলতা রয়েছে বলে একজন নারী শিক্ষক জানায়।

আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, বিদ্যালয়ের জমি দিয়েছি আমরা, আমাদের জমিতে গাছ গুলো ছিল। বাউন্ডারি করা হবে বিধায় গাছ গুলো কেটে নিয়েছি। এছাড়াও বিদ্যালয়ের জমি অন্য দাগে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের জমিতে গাছ গুলো ছিল, বিক্রি করা হয়নি। যারা জমি দিয়েছেন, তারাই গাছ গুলো কেটে নিয়েছে। তিনি দাবী করেন, গাছের মূল্য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হবে। গাছ কাটতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি বা কোন রেজুলেশন করেনি বলেও স্বীকার করেন এবং বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ জমি বেদখল রয়েছে।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগ বলেন,এবিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধিমত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট