1. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  2. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Pinco azerbaycan apk onlayn kazino oynamaq üçün ən yaxşı platforma Mostbet 91 saytı onlayn kazino oynamaq – Ən yaxşı oyunlar və bonuslar বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ চেষ্টা” সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরকন্যা জামিনা বেগম কে বসত বাড়ি প্রদান ময়মনসিংহে অর্থনৈতিক শুমারী উপলক্ষে ন্যাশনাল রিপোর্ট বিষয়ক সেমিনার ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন ময়মনসিংহে তিনদিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু ১৩ জুন প্রতিবন্ধী যুবকের ঘরে মানবিক ডিসি সাইফুর রহমান, দিলেন হুইলচেয়ার ও নগদ সহায়তা Mostbet Canlı Onlayn Kazino Oynamaq — Başlamaq Üçün Tam Bələdçi

নকলায় খেয়াঘাটে খাস আদায়,রাজস্ব লুটের রাজত্ব করছে নায়েব ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

শেরপুরের নকল ‍উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদী পারাপারে
উপজেলার নারায়নখোলা থেকে পিয়ারপুর
খেয়াঘাটে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক খেয়া মাঝি দিয়ে খাস আদায় করা হচ্ছে। এতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে-খাস আদায়ে ঘাট থেকে দৈনিক ৫হাজার টাকা করে আদায় করলেও দায়িত্ব প্রাপ্ত ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ১৫দিনে বিভাগীয় কমিশনারের অনুকূলে সরকারী একাউন্টে জমা করেন ৩০-৪০ হাজার টাকা।
এতে বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। স্থানীয় কিছু প্রভাশালীদের সাথে আতাত করে লুটপাটের সুবিধার্থার্তে খেয়াঘাটের ইজারা প্রদানে গড়িমসি করছেন। নায্য ইজাারা দরদাতারা সিডিউল ক্রয়ের চেষ্টা করলে তাদের বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখিয়ে ঘাটের সিডিউল ক্রয়ে বাধা প্রদান করে সরকারকে ফাকি দিয়ে প্রভাবশালীদের নিয়ে ঘাটে লুটের রাজত্ব কায়েম করছেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এমন অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী পারাপারে নকল উপজেলার ৮নং চর অষ্টধর ইউনিয়নের নারায়নখোলা খেয়াঘাটে খাস আদায়ের কাজে উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি চর অষ্টধর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নুরুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি স্থানীয় খেয়া ঘাটের মাঝিদের সহায়তায় খাস আদায় করে আসছেন। এর ফলে পারাপারের সাথে সম্পৃক্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে সাধরণ যাত্রীরা জানান। চালকসহ মোটরসাইকেল পারাপারে নেওয়ার কথা ২০ টাকা; সেখানে নিচ্ছে ৩০ টাকা। যাত্রীসহ মোটরসাইকেল পারাপারে নিচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। যদি কেউ রিজার্ভে খেয়া পার হয়, সেখানে খাস আদায় জনপ্রতি ১০ টাকা নেওয়ার পরেও খেয়া নৌকায় ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, রাত ১০টার পরে প্রতি খেয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা ও ভারী মালামাল পরিবহনে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। খাস আদায়ে দৈনিক ৫হাজার টাকা নায়েবকে দিতে বলে জানিয়ে মাঝি হালিম বলেন-এই পরিমাণ টাকা আদায় না করলে নায়েবকে টাকা দেওয়ার পর আমাদের পোষে না। তারপরও তিনি এপ্রতিনিধিকে লিটন নামের এক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে লিটন সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

সাধারণ যাত্রীরা জানান, পূর্বে এই খেয়াঘাট ২২-২৮লাখ পর্যন্ত ইজারা ঢাক হতো তবে ইজারাদার এত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেনি, গত ৫ আগষ্ট এর পর থেকে নারায়ণখোলার এই খেয়াঘাট ইজারাদার বীহীন প্রশাসনের মাধ্যমে সরকার খাস আদায় করছে তবুও আমাদের অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়নি।

খেয়াঘাটের কিছু মাঝি জানান, আগে খেয়াগাট ময়মনসিংহ ৎেকে ইজারা আনতে হতো,গত ৫আগস্টের পর থেকে এর ইজারা না হওয়ায় স্থানীয় নায়েবের মাধ্যমে ৭লক্ষ টাকায় খাস হিসাবে নিয়েছি,সামনের কুরবানি ঈদের ৫দিন পর আমাদের মেয়াদ শেষ হবে, অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান- আগে তেলের টাকা ইজারাদারের কাছে চাইলেই পাইতাম আর এখন বাকিতে তেল কিনে খেয়া নৌকা চালাতে হয়।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে জানতে তার দপ্তরে গিয়ে সাক্ষাৎ না পেয়ে মুঠোফোন জানতে চাইলে তিনি জানান- নারায়ন খোলা খেয়াঘাট ইতিপুর্বে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার স্যারের কার্যালয়ে শিডিউল বিক্রির মাধ্যমে ২২-২৮লাক টাকায় ইজারা দেওয়া হতো,তবে গত ৫আগস্টের পর থেকে এত টাকায় কেহ ঘাটটি ইজারা নিতে শিডিউল ক্রয় না করায় এর ন্যায্য দরদাতা ইজারাদার না পাওয়ায় বিভাগীয় কমিশনার স্যারের পরামর্শ মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যার খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। ঈদের পর খাস নেওয়া মাঝির মেয়াদ শেষ হবে, আনরা সেলক্ষে প্রস্তুতি নিতে কমিশনার স্যারকে রিপোর্ট পাঠিয়েছি।

খাস আদায়কৃত টাকা কোথায় জমা দেওয়া জানতে চাইলে ভূমি কর্মকর্তা নুরুল হক জানান- তিনি প্রতি ১৫ দিন পর-পর ৩০-৪০ হাজার টাকা পান সেটা বিভাগীয় কমিশনার এর সরকারি ফান্ডে জমা করেন। মাঝির বক্তব্য অনুসারে দৈনিক ৫হাজার টাকা হলে ১৫দিনে ৭৫ হাজার টাকা জমা হওয়ার কথা থাকলেও এত কম হয় কেন জানতে চাইলে তিনি স্থানীয় লিটন ও এর সাথে যোগাযোগ করতে বলে।

মাঝি জানায় লিটন খান একজন রাজনৈতিক নেতা,
স্থানীয় গণ্যমান্যদের মতে-স্থানীয় প্রভাবশালী একটা সিন্ডিকেট চক্র ন্যায্য দরদাতাদের ভয় দেখিয়ে খেয়াঘাট ইজারা নিতে অনীহা তৈরী করেন,কারণ খাস কালেকশনে সরকারকে রাজস্ব বঞ্চিত করে লুটপাট করে খাওয়ার কৌশল এটা। যে কারণে নায়েব ও মাঝির বক্তব্যে এমন গড়মিল দেখা যাচ্ছে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে কল দিয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কল রিসিভ করলেও একটি মাইকের উচ্চ শব্দের বিকট আওয়াজ কথা বলায় বিঘ্ন ঘটায় তিনি কল কেটে দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট