1. : lf_B9ME3ZFMk6jU :
  2. : lf_HXNdfDqKhDl6 :
  3. lprgVloYPNJJgR@gmail.com : lprgVloYPNJJgR :
  4. live@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ
  5. info@www.dailymymensinghkantha.com : দৈনিক ময়মনসিংহের কন্ঠ :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

নান্দাইলে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও অপহরণ: ১০ লাখ টাকায় শালিসের পর এবার ওসি ও সাংবাদিক ‘ম্যানেজ’-এর অপচেষ্টা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

আকরাম হোসেন নান্দাইল উপজেলা প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে শাশুড়ির সহযোগিতায় তরুণী গৃহবধূকে (১৯) গণধর্ষণ ও অপহরণের নৃশংস ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মাতব্বরদের তৎপরতা থামছেই না। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে বেআইনিভাবে গোপন শালিসে ঘটনার ‘দফাদফা’ করার পর, এবার আইনি ও সংবাদমাধ্যমের পদক্ষেপ বন্ধ করতে স্থানীয় মাতব্বরেরা নান্দাইল মডেল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এবং সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার অপচেষ্টায় মেতে উঠেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই রাতে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের হাবাতিয়াকান্দা গ্রামে শাশুড়ি রুমেলা খাতুনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় গণধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। ভুক্তভোগী যাতে মামলা করতে না পারেন, সেজন্য তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো: জাহাঙ্গীর আলম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী চক্র মামলাটি প্রত্যাহার ও অপরাধীদের আড়াল করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে।এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় মাতব্বরেরা প্রথমে ঘটনার বিচার না করে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি রফা-দফার চুক্তি করেন। কিন্তু মামলা ও গণমাধ্যমের প্রকাশ রোধ করতে মাতব্বরেরা এখন প্রচারণা চালাচ্ছেন যে তারা ‘থানার ওসি ও স্থানীয় সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে ফেলেছেন’ এবং বিষয়টি আর সামনে এগোবে না।
ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য ও অসংবেদনশীল অপরাধের পর মাতব্বরদের এমন দৌরাত্ম্য, টাকা দিয়ে বিচার কেনাবেচা এবং প্রশাসন ও সাংবাদিক সমাজকে ব্যবহার করে অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি, অপরাধীদের কঠোর শাস্তি না দিয়ে এভাবে টাকা ও প্রভাব দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে।

তবে এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “গণধর্ষণ ও অপহরণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে কোনো ধরনের শালিস বা আপসের সুযোগ নেই। ওসি বা পুলিশকে ম্যানেজ করার কথাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না; ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলছে।”একইসাথে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, অপরাধীদের রক্ষা করার এমন অপচেষ্টাকে সংবাদের মাধ্যমে উন্মোচিত করা হবে এবং কোনো ধরনের অনৈতিক চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করবেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট